Saturday, 12 June 2021

ভোরবেলার প্রথম ছবি।



শুন্য মঠ
বছর পয়তাল্লিশ আগে প্রতিষ্ঠিত। বছর পনের আগে মহন্তজীর মৃত্যুর পর কোন স্থায়ী পূজারী নেই। স্থানীয় লোকেরাই সন্ধ্যে প্রদীপ জ্বালান।
বোধহয় সে কারণেই মঠটির নাম লোকমুখে শুন্য মঠ হয়েছে। 





দেবকুন্ডের পথে

শুরু হল পথচলা। ঝর্ণার ওপর দিয়ে। 












   নীলগিরি রাজ্যের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ছোট নাগপুরের কারো হাত ধরে। পরে রাজা নারায়ণ সিং, সম্রাট আকবরের হয়ে আফগানদের সাথে লড়ে নাম এবং সম্রাটের অনুগ্রহ লাভ করেন। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র অপুত্রক হওয়াতে ১৯৫০ সালে ভঞ্জ রাজপরিবারের এক রাজকুমারকে দত্তক নেন। উনিই নীলগিরির প্রথম ভঞ্জ বংশীয় রাজা। এই নীলগিরিতেই বিখ্যাত কৃষক বিদ্রোহ হয়েছিল যা এই রাজারাই দমন করেন। ১৮৪৮'এর পয়লা জানুয়ারী এই রাজ্য স্বাধীন ভারতবর্ষের সাথে মিশে যায়। বর্তমান রাজার নাম রাজা জয়ন্ত সি এম হরিচন্দন। তবে এখন শুধু নামেই রাজা, সেই ক্ষমতা আর নেই। 




ডানদিকে কোণাকুণি রাজবাড়ীর দেওয়াল দেখা যাচ্ছে।  ডানদিকে এগিয়ে গেলেই প্রবেশপথ।



উড়িষ্যা, আর রথ থাকবে না!!! তাও কি হয়।

রাজবাড়ীর ভেতরে। 

















No comments:

Post a Comment