Tuesday, 21 July 2015


বিভূতিভূষণ অভয়ারণ্য, পারমাদান

এক ঘোর বর্ষার দিনে

৩১.০৭.২০১৫ - ০১.০৮.২০১৫

(ঘোর বর্ষা, আলো কম, ঘন জালে ঘেরা সব পশু পাখী, কম দামী লেন্স আর ছবি তোলার অক্ষমতা  -
তাই ছবির সংখ্যা খুবই কম।)


গাড়ি নিয়ে বেড়িয়েছিলাম, তাও পরিচিত জনের গাড়ি তাই বিস্তারিত যাতায়াতের খরচ কিছু বলতে পারবো না। 

যশোর রোড ধরে বনগার দিকে যেতে বনগা বাস স্ট্যান্ডের বেশ খানিকটা আগে বাদিকে রাস্তা ঢুকে গেছে।  অনেক দূর গিয়ে আবার বাদিকে। জিজ্ঞাসা করে নেওয়াই ভাল।
ওই রাস্তাটাই সোজা কৃষ্ণনগর গিয়ে উঠেছে। ফেরার সময় ইচ্ছে হলে এই সুযোগে কৃষ্ণনগরও ঘুরে নেওয়া যেতে পারে।
থেকেছি পশ্চিমবঙ্গ বন দফতরের বাংলোতে। দুই শয্যার বেশ বড় দুটো ঘর ৫০০/-। বাড়তি লোকঃ মাথাপিছু ১৫০/-। দেবার মানে হয় না, একজন বেশি হলে কেয়ারটেকার কিছু বলে না। নেটে বুক করেছিলাম বলে আমি দিয়েছিলাম। বাথরুম পশ্চিমা। কমোড আছে।  দুটো ঘরের একটাই বাথরুম।

খাওয়া বাইরের দোকানের একজন বাড়ির রান্না খাবার দিয়ে যায়। আগেই বলে রাখতে হয়। রান্না এবং পরিমাণ ভাল। নিজে দাঁড়িয়ে অনুরোধ করেন আরেকটু ভাত/মাংস নিতে। 

ঘোরাঘুরিঃ ছোট্ট জঙ্গল। একদিনের জন্য খারাপ নয়। পাশেই ইছামতী নদী। নৌকা করে নীলকুঠিতে যাওয়া যায়। এটা শুনে বললাম, আমরা বৃষ্টির জন্য ঘরের বাইরেই বেড়ুতে পারছিলাম না, আবার নীলকুঠি! 

বৃষ্টিস্নাত শালিক

শুধু কাক নয়, কাঠবেড়ালীরো ধারণা মুখ লুকিয়ে থাকলে কেউ দেখতে পাবে না।

জঙ্গল ১

ডাবের শীষ (?) এসেছে 

সৌর প্যানেল

্লাঞ্চ টাইম


সুক্ষ্ম জালিকা ভেদ করে তোলা







দুই শালিক।


No comments:

Post a Comment