সোমনাথের সাথে
চিন্তামণি কর পাখীরালয়ে
আমরা তিন শিক্ষানবীশঃ
আমি, সোমনাথের কন্যা এবং পুত্র
১১.১০.২০১৫
পাঁচটা নাগাদ বাড়ি থেকে রওনা হয়ে বিধান নগর রোড - শেয়ালদা - সোনারপুরে পৌছে গেলাম নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই। আসলে আমার কোন ধারণাই ছিল না ট্রেনে কতক্ষণ লাগতে পারে। সোনারপুর স্টেশন থেকে অটোতে কয়ালের বাগান মিনিট পনের। অটো থেকে নেমে উল্টোদিকের রাস্তা ধরে হেঁটে ৩-৫ মিনিট। বাসেও যাওয়া যায়, বারুইপুরগামী বাসে কয়ালের বাগানে নামতে পারেন।
থাকার ব্যবস্থা নেই। খাবার ব্যবস্থা নেই। জলের ব্যবস্থা কিনে নিয়ে ঢোকাই ভাল। তবে খেয়াল রাখবেন বোতল বা অন্য বর্জনীয় যেখানে সেখানে ফেলবেন না। খুব খিদে পেলে বেড়িয়ে উল্টোদিকে সোজা গিয়ে বউদির একটা দোকান আছে। পরোটা আলুর দম, কোল্ড ড্রিঙ্কস পাওয়া যায়। ওমলেট আর চাও পাবেন।
বিশেষ কিছুই বলার নেই। প্রায় সব জঙ্গলের মতই এখানেও ভীষণ মশা। এক ঠায় দাঁড়িয়ে থাকার ব্যপার থাকলে (যেমন ছবি তোলার সময়) ওডোমস জাতীয় কিছু ব্যবহার করাই ভাল।
সতর্কতাঃ পাখীর ছবি প্রায় নেই, দুরকমের পাখী ছাড়া। আর একটা বেজীর ছবি আছে। জীবন্ত আর কিছুর ছবি নেই। ওহো, টিকিট কাউন্টারে লক্ষ করলে দেখতে পাবেন এক জোড়া পায়ের ছবি, জীবন্ত মানুষের।
![]() |
| প্রথম পাখী - ছাতারে (বোধহয়) |
![]() |
| দ্বিতীয় পাখি - নাম জানি না। |
![]() |
| বেজী (আপনারাও বেজী বলেন ত?) |












































No comments:
Post a Comment